1. banglahost.net@gmail.com : rahad :
  2. dainikrahbar@gmail.com : jahangir :
  3. publisher9898@yahoo.com : publisher98 :
  4. b7f03tvsnr@gmail.com : wp4sf0sa :
বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ০৬:১৫ অপরাহ্ন
আসসালামু আলাইকুম
রাহবার পরিবারে আপনাকে স্বাগতম

নাটোরে সাত বছরের ছেলেকে ২১ বছর দেখিয়ে অত্যাচেষ্টার মামলার আসামি দেখিয়ে মামলা।

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬
  • ৪ বার পঠিত

নাটোরে সাত বছরের ছেলেকে ২১ বছর দেখিয়ে অত্যাচেষ্টার মামলার আসামি দেখিয়ে মামলা।

নাটোরে ৭ বছরের দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ুয়া এক শিশুর বয়স ২১ বছর দেখিয়ে হত্যাচেষ্টার মামলা দায়েরের অভিযোগে বাদীর বিরুদ্ধেও মামলা করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার নাটোরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম এ নির্দেশ দিয়েছেন।

একই সঙ্গে সাত দিনের মধ্যে ওই শিশুকে অব্যাহতি দিয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বখতিয়ার হোসেনকে প্রতিবেদন জমা দেওয়ারও নির্দেশন দিয়েছেন বিচারক।

আদালত সূত্রে জানা যায়, গত ২৬ এপ্রিল সাত বছরের এক শিশু স্কুলড্রেস পড়ে আইনজীবীর হাত ধরে আদালতে হাজির হয়ে গুরুদাসপুর থানার একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় জামিনের আবেদন করেন। আদালত মামলার কাগজপত্র পর্যালোচনা করতে গিয়ে দেখতে পান, বাদী মামলার এজাহারে ওই শিশু অভিযুক্তের বয়স ২১ বছর উল্লেখ করেছেন। অথচ জন্মনিবন্ধন অনুসারে ঘটনার তারিখে তার বয়স প্রায় সাত বছর ছিল। আদালতে হাজিরের দিন তার বয়স সাত বছর সাত মাস দুই দিন। শিশুটি উপজেলার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী।

বিষয়টি জানতে পেরে আদালত তাৎক্ষণিকভাবে শিশুটির জামিন মঞ্জুর করেন। একই সঙ্গে শিশুটির প্রকৃত বয়স কেন উল্লেখ করা হয়নি, এ ব্যাপারে মামলার বাদী ও তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছে কৈফিয়ত তলব করেন।

মামলার পরবর্তী ধার্য তারিখ মঙ্গলবার সশরীর আদালতে হাজির হয়ে তাকে কৈফিয়ত দেওয়ার নির্দেশ দেন। এ বিষয়ে গত ২৬ এপ্রিল দৈনিক যুগান্তরে অনলাইন ও প্রিন্ট উভয় সংস্করণে ‘নাটোরে সাত বছরের শিশুকে ২১ বছর উল্লেখ করে মামলা, বাদীকে আদালতে তলব’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।

আদালতের নির্দেশ মোতাবেক তদন্ত কর্মকর্তা গুরুদাসপুর থানার এসআই বখতিয়ার হোসেন ও বাদী শাহানুর রহমান মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নাটোরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে হাজির হন।

তদন্তকারী কর্মকর্তা আদালতকে বলেন, তদন্তের দায়িত্ব পাওয়ার পরপরই তিনি অভিযুক্ত ব্যক্তিদের খোঁজে এলাকায় গিয়েছিলেন। তবে আত্মগোপনে থাকায় অভিযুক্ত সবার বয়স যাচাই করা সম্ভব হয়নি। বয়স কম থাকার বিষয়টি আসামিপক্ষও তখন পুলিশকে অবগত করেনি। বিষয়টি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখার জন্য তিনি আদালতে আবেদন করেন।

এ সময় আদালতের বিচারক জেলা ও দায়রা জজ মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম অবিলম্বে বাদীর বিরুদ্ধে গুরুদাসপুর থানায় ভুল তথ্য সরবরাহ করার অভিযোগে মামলা করার নির্দেশ দেন। এ আদেশের পাশাপাশি আদালত তদন্তকারী কর্মকর্তাকে সাত দিনের মধ্যে ওই শিশুকে মামলা থেকে অব্যাহতি দিয়ে আদালতে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন।

তদন্তকারী কর্মকর্তা বখতিয়ার হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

অপরদিকে একই সময়ে মামলার বাদী আদালতের কাছে এ বিষয়ে ক্ষমা চাইলে আদালত বলেন, এ অপরাধের কোনো ক্ষমা নেই। বয়স দুই-এক বছর কমবেশি হতেই পারে। তাই বলে সাত বছরের শিশুর বয়স ২১ বছর লেখার কোনো সুযোগ নেই। তাকে আইনের আওতায় আসতেই হবে।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি আবদুল কাদের যুগান্তরকে বলেন, অসত্য তথ্য সরকারি কর্মচারীকে সরবরাহ করলে দণ্ডবিধির ১৭৭ ও ১৮২ ধারায় দায়ী ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার বিধান রয়েছে। এই ধারায় অপরাধ প্রমাণিত হলে বাদী থেকে আসামি হতে যাওয়া এই ব্যক্তির ছয় মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং এক হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড হতে পারে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Theme Customized BY WooHostBD