নামাজরত অবস্থায় হাফিজিয়া মাদ্রাসায় সন্ত্রাসী হামলা ।
ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট উত্তর মানকদি “মাদরাসাতুন নুর ঢাকা” হাফিজিয়া মাদ্রাসায় ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলা ও জোরপূর্বক উচ্ছেদের অভিযোগ উঠেছে বাড়ির মালিকপক্ষের বিরুদ্ধে। মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের দাবি, ১০ বছরের বৈধ ভাড়া চুক্তি থাকা সত্ত্বেও চুক্তি পুরা না করে নীচ তলার আনকমপ্লিট একটি ইউনিটে তাদের থাকতে দেয়, তাও মাত্র দুই বছর না যেতেই হঠাৎ করে ছাত্রসহ মাদ্রাসা ছেড়ে যেতে চাপ দেওয়া হচ্ছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, সম্প্রতি সেনা বাহিনীর দেয়া সিদ্ধান্ত অমান্য করে একদল লোক মালিকের ছেলে মনির ও কাজলের নেতৃত্বে মাদ্রাসায় হামলা চালায়। তারা পানির পাইপ ভেঙে বিষ প্রয়োগ করে, সিসি ক্যামেরা ভেঙে ফেলে এবং স্প্রে ছিটিয়ে মাদ্রাসার নিরাপত্তা ব্যবস্থা ধ্বংস করে দেয়। শুধু তাই নয়, মাদ্রাসার আসবাবপত্র ভাংচুর করে দুতলা থেকে পবিত্র কোরআন শরিফ সহ সব কিছু রাস্তায় ছুড়ে ফেলা হয়—যা জনসম্মুখে চরম অবমাননাকর ঘটনার সৃষ্টি করে।
মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ আরও অভিযোগ করেন, হামলার সময় কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মারধর করা হয়। এতে ছাত্র, শিক্ষক ও কর্তৃপক্ষ চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন।
এই ঘটনার সঙ্গে মনির ও কাজল নামের ব্যক্তিদের নেতৃত্বে একটি বাহিনীর সংশ্লিষ্টতা রয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই বাহিনীর হারুনের সহযোগিতায় অজ্ঞাতনামা ১৫ থেকে ২০ জনকে সঙ্গে নিয়ে সন্ত্রাসী কায়দায় হামলা চালায়।
এলাকাবাসী জানান, একটি দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের ন্যাক্কারজনক হামলা ও ভয়ভীতি প্রদর্শন কখনোই গ্রহণযোগ্য নয়। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
এ ঘটনায় মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছে, যাতে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হয় এবং বৈধ চুক্তি অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটি নির্বিঘ্নে পরিচালিত হতে পারে।
এই মুহূর্তে এলাকাজুড়ে বিরাজ করছে চরম আতঙ্ক ও উত্তেজনা। তিনজন আসামী।ইতিমধ্যে গ্রেফতার হয়েছে।