সিরাজগণ্জের ডুমুর ইছায় পৃথিবীর দ্বিতীয় ঐতিহাসিক আল-আকসা মসজিদের নামে নাম করণ করে মসজিদ নির্মাণ হতে যাচ্ছে।

সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার ০৩ নং বহুলী ইউনিয়নের ০৬ নং ওয়ার্ডের ঐতিহ্যবাহী ডুমুর ইছা গ্রামে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ও পবিত্র ঐতিহাসিক দ্বিতীয় মসজিদ আল-আকসা মসজিদের নামে নাম করণ করে ” আল-আকসা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ ও মাদ্রাসা ” নির্মাণ হতে যাচ্ছে।
আল-আকসা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের প্রধান উদ্যোক্তা, আহবায়ক এবং ব্যবস্থাপক মো ইয়াকুব আলী তালুকদার বলেন পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ও পবিত্র এবং পৃথিবীর দ্বিতীয় ঐতিহাসিক মসজিদের নামের সাথে মিল রেখেই এই মসজিদের নামে নাম করণ করা হয়েছে। যেন আল্লাহর সন্তুুষ্টি অর্জন করতে পারি। কালের বিবর্তনে ফিলিস্তিনের আল-আকসা মসজিদটি বিলুপ্ত বা হারিয়ে গেলেও বাংলাদেশের সিরাজগঞ্জ জেলার ডুমুর ইছা গ্রামের মতো জায়গায় এই নামে একটি মসজিদ থেকে যাবে ইনশা আল্লাহ। স্বয়ং মহান আল্লাহর দেওয়া এই নাম হওয়ায় মূলত এই নামটি রাখা হয়েছে বলে তিনি জানান।
এর আগে মো ইয়াকুব আলী তালুকদার ও মো আইয়ুব আলী তালুকদার এবং মো লিখন আলী তালুকদার এর যৌথ অর্থায়নে মসজিদ ও মাদ্রাসা নির্মাণের জন্য ভূমি ক্রয় করা হয়েছে এবং গত ২২ মে আনুষ্ঠানিকভাবে মসজিদের ভিত্তি স্থাপন করা হয়েছে এবং সাইনবোর্ড লাগানো হয়েছে। তিনি আরও বলেন এখানে আমরা আরও জমি ক্রয়ের জন্য চেষ্টা করে যাচ্ছি যাতে ” আল-আকসা কেন্দ্রীয় মসজিদ কমপ্লেক্স ” এর পাশাপাশি একটি আধুনিক মাদ্রাসা কমপ্লেক্স, একটি বৃহত্তর ঈদগাঁ মাঠ, একটি সমাজ সেবামূলক সামাজিক সংগঠন (ফাউন্ডেশন), একটি আধুনিক স্কুল, একটি যুব ও বয়স্ক ক্লাব, একটি সালিসি হল রুম বা গ্রাম্য সমস্যা সমাধানের জন্য একটি সুন্দর স্থান নির্মাণ করা হবে ইনশা আল্লাহ। উক্ত কাজের জন্য অনেক জমির প্রয়োজন । এজন্য আরও বেশ কিছু জমি ক্রয়ের চেষ্টাও চলমান রয়েছে।
এলাকার অসহায়, বিধবা, ইয়াতিম, পঙ্গু, বয়স্ক, কর্মঅক্ষম, দুস্থ, অসুস্থ, সুবিধা বঞ্চিত, অবহেলিত মানুষদের জন্য সেবা কার্যক্রম চালু করা হবে। এলাকার অসংখ্য ধর্মপ্রাণ মুসলমান যেন স্বত্বঃফুর্রতভাবে মহান আল্লাহ পাকের নির্দেশিত ইবাদত বন্দেগী করতে পারে। মহা গ্রন্থ পবিত্র আল-কোরআন শিখ্খা গ্রহণ করে পৃথিবী জুড়ে কোরআনের আলো ছড়িয়ে দিতে পারে এবং বিশ্ব ভূখন্ডে বাংলাদেশের সুনাম অর্জন করতে পারে।
মো ইয়াকুব আলী তালুকদার বলেন প্রথমে খুব দ্রুত আমাদের মসজিদ ও মাদ্রাসা নির্মাণের কাজ শুরু করা হবে ইনশা-আল্লাহ্। এজন্য ধর্মপ্রাণ মুসলমাদের অংশ গ্রহণের জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করছি। আসুন মুক্ত হস্তে দান করি পরকালের সণ্চয় গড়ি । পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ও পবিত্র ঘর মসজিদ ও মাদ্রাসা নির্মাণ কল্পে স্বেচ্ছায় সদকায়ে জারিয়ার অংশীদার হয়ে পরকালের মুক্তির পথ সুগম করি।
এলাকার অসংখ্য জনসাধারণ এবং ধর্মভীরু মানুষ এই সুবিশাল পরিকল্পনাকে স্বাগত জানিয়েছেন। তারা আশা করছেন অত্র এলাকার মধ্যে এটিই হবে একটি অত্যাধুনিক ইসলামী কমপ্লেক্স। ইসলামী দ্বীন শিখ্খা এবং প্রচারের অন্যতম একটি কেন্দ্র!