1. banglahost.net@gmail.com : rahad :
  2. dainikrahbar@gmail.com : jahangir :
  3. publisher9898@yahoo.com : publisher98 :
  4. b7f03tvsnr@gmail.com : wp4sf0sa :
শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ০১:৩৬ পূর্বাহ্ন
আসসালামু আলাইকুম
রাহবার পরিবারে আপনাকে স্বাগতম

কারো বাড়ি-বেড়াতে গিয়ে মেহমান হয়ে কতদিন থাকবেন, হাদিসে যা আছে

নিজশ্ব প্রতিবেদন
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬
  • ৫ বার পঠিত

কারো বাড়ি-বেড়াতে গিয়ে মেহমান হয়ে কতদিন থাকবেন, হাদিসে যা আছে

মাঝেমধ্যে আমাদেরকে আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে মেহমান হয়ে যেতে হয়। কারও বাড়িতে যাওয়ার আগে তাদের অবহিত করা নৈতিক দায়িত্ব। এতে মেজবান প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সারতে পারেন। অতিথি হয়ে মেজবানের বাড়িতে কত দিন অবস্থান করা যায়, কীভাবে মেহমানদারি করতে হবে, কত দিন মেহমানদারি করা সুন্নত—এর দিকনির্দেশনা আছে ইসলামে।

অতিথি আপ্যায়ন ইসলামের অন্যতম সৌন্দর্য। হজরত মুহাম্মদ (সা.) মেহমানদারি করতেন। সাহাবিদেরও মেহমানদারিতে উৎসাহিত করতেন। অতিথি আপ্যায়ন মানুষের মধ্যে সদ্ভাব তৈরি করে। সম্পর্কের বাঁধন দৃঢ় করে। সামাজিক বন্ধন ও সৌহার্দ্য উন্নত করে। ইবরাহিম (আ.) প্রতিদিন মেহমানদারি করতেন। আল্লাহ বলেন, ‘আমার ফেরেশতারা (ছেলেসন্তানের) সুসংবাদ নিয়ে ইবরাহিমের কাছে এল। তারা বলল, সালাম। সেও বলল, সালাম। ইবরাহিম দ্রুতই কাবাব-করা ভুনা গরুর গোশত নিয়ে এল।’ (সুরা হুদ, আয়াত: ৬৯)

একদিন একরাত মেহমানের জন্য উত্তম ব্যবস্থাপনা করা ওয়াজিব। তিন দিন তিন রাত সাধারণ ব্যবস্থাপনা করা সুন্নত। তিন দিনের বেশি হলে মেহমানকে খাওয়ানো জরুরি নয়। তিন দিনের পর মেহমানকে খাওয়ানো হলে এর বিনিময়ে সদকা বা দানের সওয়াব পাওয়া যায়। মেজবানকে কষ্ট দিয়ে তার কাছে মেহমানের অবস্থান করা বৈধ নয়। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘মেহমানের সম্মান একদিন ও একরাত। সাধারণ মেহমানদারি তিন দিন ও তিন রাত। এরপর (তা হবে) সদকা। মেজবানকে কষ্ট দিয়ে তার কাছে মেহমানের অবস্থান করা বৈধ নয়।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৬১৩৫)

অতিথির প্রতি সদাচরণ

মুমিন-মুসলমানের নৈতিক দায়িত্ব হলো, ঘরে মেহমান এলে তার সঙ্গে সদাচরণ করা। তার সঙ্গে হাসিমুখে কথা বলা। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে আল্লাহ ও কিয়ামত দিবসের ওপর ইমান রাখে, সে যেন মেহমানের প্রতি সদাচরণ করে।’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ৪৭)

অতিথিসেবার ফজিলত

হজরত মুহাম্মদ (সা.) সবসময় মেহমানদারি করতেন। নিজের ঘরে খাবার না থাকলে মেহমানকে অন্য কারও ঘরে পাঠিয়ে দিতেন। হেরা গুহায় তিনি যখন জিবরাইল (আ.)-কে দেখে ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে খাদিজা (রা.)-এর কাছে ফিরে এলেন, তখন খাদিজা (রা.) তাঁকে যেসব কথা বলে সান্ত্বনা দিয়েছিলেন, এর মধ্যে মেহমানদারি অন্যতম। খাদিজা (রা.) বলেছিলেন, ‘আল্লাহর কসম, আল্লাহ আপনাকে কখনো লাঞ্ছিত করবেন না। আপনি তো আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে সদাচরণ করনে, অসহায়-দুস্থদের দায়িত্ব বহন করেন, নিঃস্বকে সহযোগিতা করেন, মেহমানের আপ্যায়ন করেন।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৩)

অতিথিসেবায় রয়েছে অফুরন্ত সওয়াব। এতে আল্লাহ খুশি হন। মেজবানের ঘরে বরকত পাঠান। আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে ঘরে মেহমানদারি করা হয়, উটের কুঁজের গোশত কাটার উদ্দেশে ছুরি যত দ্রুত অগ্রসর হয়, সে ঘরে বরকত এর চেয়েও দ্রুত প্রবেশ করে।’ (সুনানে ইবনে মাজাহ)

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Theme Customized BY WooHostBD