কুমিল্লায় দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৩০
কুমিল্লা নগরীর দক্ষিণ চর্থা এলাকায় দুই পক্ষের মধ্যে ৩ দিন ধরে থেমে থেমে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অস্ত্রের মহড়া দেখা গেছে এবং একাধিক ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান ভাঙচুর হয়েছে। সংঘর্ষে ৩০ জন আহত হয়েছেন। গুলিবিদ্ধ হয়েছেন ২ জন।
গত বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) থেকে শনিবার (২৫ এপ্রিল) বিকেল পর্যন্ত এই সংঘর্ষে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। যেকোন সময়ে বড় ধরনের সংঘর্ষ এড়াতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
আজ রোববার (২৬ এপ্রিল) ২০২৬ দেখা যায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে দক্ষিণ চর্থা এলাকায় পুলিশের অতিরিক্ত টহল দেখা যায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দক্ষিণ চর্থার থিরা পুকুর পাড় ও জিনাপুকুর পাড় এলাকার তরুণদের মধ্যে কথা কাটাকাটি থেকে বিবাদের সূত্রপাত হয়। পরবর্তীতে এই বিরোধ বড় আকার ধারণ করলে স্থানীয় বাসিন্দারাও এতে জড়িয়ে পড়েন। এক পর্যায়ে তারা জিনা পুকুর পাড়ের ‘নয়নগ্রুপ’ ও থিরা পুকুর পাড়ের ‘স্বপন গ্রুপ’-এ বিভক্ত হয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। টানা তিন দিন ধরে চলা এই হামলায় এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং বেশ কিছু ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাঙচুর করা হয়।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, হেলমেট পরিহিত একদল তরুণ দেশীয় অস্ত্র হাতে প্রতিপক্ষকে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করছে। এমনকি ভিডিওতে একজনকে সরাসরি গুলি ছুড়তেও দেখা যায়। ইট-পাটকেলের আঘাতে বিভিন্ন বাসাবাড়ি দোকানের জানালার কাচ ভেঙে পড়ার শব্দে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।
কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি তহিদুল আনোয়ার জানান, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করেই মূলত এই সংঘর্ষ। ইতোমধ্যে এক পক্ষ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। বর্তমানে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। জড়িতদের চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে।