বিএনপি সন্ত্রাসী দ্বারা বীর মুক্তিযোদ্ধা রমজান আলীকে হত্যার চেষ্টা
বিএনপি’র সমর্থিত স্থানীয় সন্ত্রাসী দ্বারা ” পাবনা ৫ আসনের” জামায়াত মনোনীত প্রার্থী প্রিন্সিপাল ইকবাল হোসেনের সমর্থিত – বীর মুক্তিযোদ্ধা রমজান আলীকে হত্যার উদ্দেশ্যে এলোপাতাড়ি হামলা
গত শনিবার ৭ই ফেব্রুয়ারী ২০২৬ বিকাল ৫ টা নাগাদ রায়হান ও রুবেলের নেতৃত্বে কয়েকজন সন্ত্রাসী বীর মুক্তিযোদ্ধা রমজান আলীর বাসায় আসে এবং বীর মুক্তিযোদ্ধার খোঁজ করে। উনি বাসায় না থাকায় উনার সহধর্মিণী ও ছেলে-বৌ কে বলে বীর মুক্তিযোদ্ধা যেন সন্ত্রাসী রানা বিশ্বাসের (যিনি পাবনা-৫ আসনের ধানের শীষের এমপি পদপ্রার্থী শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের বড় ভাই বাবুল বিশ্বাসের ছেলে) সাথে মাগরিবের পূর্বেই দেখা করে নাহলে উনার প্রাণনাশ হতে পারে জানায়। মাগরিবের নামাজ শেষে উনি বাসায় আসেন এবং ঘটনাটি শুনে উনি রানা বিশ্বাসের শ্বশুর বয়েন চেয়ারম্যানকে (বীর মুক্তিযোদ্ধা রমজান আলীর খালাতো ভাই) এবিষয়ে অবহিত করেন। বয়েন চেয়ারম্যান উনার জামাই রানা বিশ্বাসের সাথে কথা বলতে বলেন।
তখন বীর মুক্তিযোদ্ধা রমজান আলী সন্ত্রাসী রানা বিশ্বাসকে কল করেন। কথাবার্তার শুরুতেই রানা বিশ্বাস বীর মুক্তিযোদ্ধাকে তুই-তোকারি করেন, নির্বাচনী প্রচারণা ছেড়ে দিতে বলেন এবং তুলে নিয়ে যাওয়ার হুমকি দেন এবং অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে কল কেটে দেন। বীর মুক্তিযোদ্ধা রমজান আলী এরপর বাসার পাশের মসজিদে এশার নামাজ পড়তে যান। নামাজ শেষ হওয়ার পূর্বেই রুবেল ও রায়হানসহ আরও ১০-১২ জন সন্ত্রাসী ৬-৭টি মোটরবাইক নিয়ে মসজিদে হাজির হয়। বীর মুক্তিযোদ্ধা নামাজ শেষে বের হলে সন্ত্রাসীরা কথা বলতে বলতে জোরপূর্বকভাবে তাকে মোটরবাইকে তুলে নিয়ে যায়। তাকে আহেদ আলী কলেজের সামনে রানা বিশ্বাসের ক্লাবে নিয়ে যায়। সেখানে রানা বিশ্বাস বীর মুক্তিযোদ্ধাকে নির্বাচন থেকে সরে যেতে বলেন। বীর মুক্তিযোদ্ধা নির্বাচন থেকে সরে যেতে অস্বীকৃতি জানান। এরপর রানা বিশ্বাস ক্ষিপ্ত হয়ে সন্ত্রাসী রায়হান-রুবেল বাহিনীর হাতে বীর মুক্তিযোদ্ধাকে তুলে দেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলেন। তখন সন্ত্রাসীরা পাবনা-৫ আসনের ধানের শীষের এমপি পদপ্রার্থী শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের বাসার পিছনের লিচু বাগানে নিয়ে যায়। নির্জন বাগানে বীর মুক্তিযোদ্ধাকে অকথ্য ভাষায় গালাগালি ও নৃশংসভাবে আঘাত করা হয়। একপর্যায়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা জ্ঞান হারান এবং সন্ত্রাসীরা তাকে মৃত ভেবে ফেলে চলে যায়। স্থানীয় একজন তাকে দেখতে পায় এবং চিনতে পারে, আশেপাশের মানুষ জানাজানি হয় এবং বীর মুক্তিযোদ্ধার বাসায় খবর দেয়।
সন্ত্রাসীদের চলে যাওয়ার পর স্থানীয় কিছু লোকজন বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব রমজান আলীকে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন এবং তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় পাবনা সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। স্থানীয় সদর হাসপাতালের চিকিৎসক জনাব রমজান আলীকে মুমূর্ষ অবস্থায় দেখে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে, ঢাকায় পঙ্গু হাসপাতালে স্থানান্তরিত করেন। বর্তমানে তিনি মুমূর্ষ অবস্থায় ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে রয়েছেন।