রনি ও ফয়সালের বন্ধুসুলভ আচরণে প্রথম দেখাতেই গভীরভাবে আলোড়িত হন দৈনিক রাহবার–এর সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম। গ্রামীণ পরিবেশে বেড়ে ওঠা এই দুই বন্ধুর কথাবার্তায় ছিল মাটির ঘ্রাণ, ছিল শেকড়ের টান। শৈশবের স্মৃতি, গ্রামের সহজ জীবন, পারিবারিক মূল্যবোধ আর ঐতিহ্যের গল্পে মুহূর্তেই জমে ওঠে এক আন্তরিক আলাপচারিতা। সম্পাদকও সেই স্রোতে ভেসে যান—নিজের অজান্তেই ফিরে যান হারিয়ে যাওয়া দিনগুলোর কাছে।
রনি ও ফয়সালের কথায় ছিল না কোনো কৃত্রিমতা, ছিল না আত্মপ্রচারের তাড়না। মিষ্টি ভাষা, বিনয়ী ভঙ্গি আর পরস্পরের প্রতি গভীর সম্মান তাদের বন্ধনকে করেছে অনন্য। একান্ত কথোপকথনের ফাঁকে ফাঁকে যে শ্রদ্ধা ও আপ্যায়ন তারা দেখিয়েছেন, তা সম্পর্কটিকে ধীরে ধীরে রক্তের আত্মীয়তার সমতুল্য করে তোলে। এই আন্তরিকতায় সম্পাদক নিজেই হয়ে ওঠেন বিস্মিত ও মুগ্ধ।
এই মিলনমুহূর্ত যেন চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়—মানবিক সম্পর্কের আসল সৌন্দর্য কোথায়। কোলাহলপূর্ণ শহুরে জীবনে যেখানে হৃদ্যতা দিন দিন ফিকে হয়ে আসে, সেখানে রনি ও ফয়সালের বন্ধুত্ব নতুন করে আশার আলো জ্বালায়। এই সাক্ষাৎ শুধু একটি আড্ডা নয়; এটি ছিল মানবিক মূল্যবোধের নীরব কিন্তু শক্ত এক ঘোষণা, যা সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলমের মনে গভীর ছাপ রেখে যায়।