স্বাস্থ্য ও মানবিক সেবা পাওয়া প্রতিটি মানুষের মৌলিক অধিকার — মোঃ মোবারক হোসাইন।
বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস উপলক্ষে, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় অনুষ্ঠিত ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে প্রধান অতিথি – ঢাকা ১৩ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য,মানবতার সেবায় অগ্রদূত সদস্য মোঃ মোবারক হোসাইন বলেন এই সমাজের প্রতিটি মানুষের মৌলিক অধিকার স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা সেবা পাওয়া।
মানবতার সেবায় নিয়োজিত ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে আসা অসংখ্য নারী, পুরুষ ও শিশু বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবায় এসে বিভিন্ন স্বাস্থ্য সেবা গ্রহণ করেন। চিকিৎসকদের সেবায় ছিলো আন্তরিকতা, স্বেচ্ছাসেবকদের মধ্যে ছিলো আনন্দ ও উৎসাহ।
প্রধান অতিথি জননেতা মোবারক হোসাইন নিজেও উপস্থিত থেকে রোগীদের খোঁজখবর নেন এবং বলেন — “মানবসেবাই ইসলামী সমাজের ভিত্তি। রাসূল (সা.) আমাদের শিখিয়েছেন, মানুষে মানুষে সাহায্যের হাত বাড়ানোই প্রকৃত ইবাদত।”
ঢাকা ১৩ আসনের মনোনীত প্রার্থী জনাব মোঃ মোবারক হোসাইন আরও বলেন, এই উদ্যোগ শুধু চিকিৎসা নয়, বরং সমাজে সহানুভূতি, ন্যায় ও মানবতার মূল্যবোধ জাগিয়ে তুলবে।
জামায়াতের মহানগরী মজলিশে শূরা সদস্য ও শেরেবাংলা নগর থানা আমির জনাব আব্দুল আউয়াল আযম এর সভাপতিত্বে ও মোঃ কামরুজ্জামানের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা ১৩ আসনের নির্বাচনে পরিচালক ডাক্তার শফিউর রহমান সহ স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ।
প্রধান অতিথি জননেতা মোঃ মোবারক হোসাইনের নেতৃত্বে পরিচালিত এই সেবামূলক কার্যক্রম ইসলামী কল্যাণ রাষ্ট্রের বাস্তব রূপরেখারই প্রতিফলন ঘটায়।
স্থানীয় জনগণ এ উদ্যোগে গভীর সন্তুষ্টি প্রকাশ করে বলেন — এমন জননেতারাই দেশের প্রকৃত সম্পদ, যাঁরা ক্ষমতার আকাঙ্ক্ষা নয়, জনগণের কল্যাণকেই লক্ষ্য করেন।
এভাবেই ইসলামী চেতনা ও মানবিকতার মেলবন্ধনে গড়ে উঠছে এক নতুন আশার সমাজ — যেখানে প্রতিটি মানুষ পাবে মর্যাদা, যত্ন ও ন্যায়ের সেবা।
বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস উপলক্ষে , রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানার উদ্যোগে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে স্বাস্থ্যসেবা সেবা নিতে আসা- আগত সাধারণ জনগণকে সেবা প্রদানের পূর্বে একটি “সুদর্শন পূর্ণ রেলি” বিভিন্ন এলাকা প্রতিক্ষণ করেন।
সর্বশেষ আগত জনতার উদ্দেশ্যে জননেতা মোঃ মোবারক হোসাইন বলেন – একটি কল্যাণময়ী রাষ্ট্র বিনির্মাণে , গণভোটের মাধ্যমেই পারে এই সমাজের সকল স্তরের দুর্নীতি, চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাস বন্ধ করতে। তিনি বলেন- আমরা আশা করি, দেশের বৃহত্তম একটি কল্যাণময়ী রাষ্ট্র বিনির্মাণে সরকার যথেষ্ট পরিমাণে ভূমিকা রাখবেন।