BNP জোট মোট ভোট -৩ কোটি ৫৩ লাখ = ৪৬.৬%
জামায়াত জোট মোট ভোট -৩ কোটি ৪৩ লাখ। = ৪৩.৯%
দাঁড়িপাল্লা জোট ভোট পাইছে ৪৩.৯% আর ধানের শীষ জোট ৪৬.৬% ভোট। ভোটের তারতম্য ও পার্থক্য হইলো ২.৭% মাত্র।
অর্থাৎ ভোট পার্সেন্টেজে দাঁড়িপাল্লা মারাত্মক ধরনের খেলা দেখিয়েছে। আর এই খেলার অংশীজন হইলো তরুন প্রজন্ম। আর আমাদের মা-বোন আর খালারা। বৃদ্ধ বয়সী বেশীরভাগ দিয়েছে ধানের শীষে।দাঁড়িপাল্লা জোট তরুণ-তরুণীদের ভোট অতিমাত্রায় পেয়েছে
প্রায় ৫৩ টা আসনে দাঁড়িপাল্লা জোট সামান্য ভোটে হেরেছে। যদি এই সামান্য ভোট কাস্টিং এ দূর্দান্ত পারফর্ম করতে পারতো তাহলে এই জোট ৭৭+৫৩= ১২৮ টা আসন নিয়ে শক্ত বিরোধী দল হইতো।আর যদি কিছু সুইং ভোট কাস্টিং এ ভালো করতে পারতো তাহলে সরকার গঠন করে ফেলার সম্ভবনা থাকতো।
যাই হোক,যেখানে দাঁড়িপাল্লার ভোট ছিল ১২% এর মত৷ আর আসন ছিল ১৮ টা। সেখানে এখন ভোটের পার্সেন্ট প্রায় ৩৫ – ৪০% আর আসন প্রায় ৮০ এর মত।
যদি পিআর সিস্টেম ফাংশন করতো তাহলে দাঁড়িপাল্লা জোট প্রায় ১৩২ এর মত আসন পেতো। ধানের শীষ পেতো ১৪২ এর মত। তাহলে সংসদে একটা দারুন ভারসাম্য থাকতো। বিএনপি মুলত এই ভয়ের কারনেই নিম্নকক্ষে পিআর মানে নাই।
দাঁড়িপাল্লা জোট যেই ভোট পেয়েছে এটা অনেকটা ধানের শীষের গর্দানে নিঃস্বাস ফেলার মত অবস্থা। আগামী পাঁচ বছর জামায়াত তাদের অবস্থান ক্লিয়ার করে যদি জনগনের সাথে সেতু বন্ধন বাড়িয়ে দিতে পারে তাহলে আগামীর সংসদ এই দাঁড়িপাল্লা জোট গঠন করবে।
তাছাড়া জামায়াত বিরোধী দলে থেকে সরকারের ফাংশনকে সহজে রপ্ত করতে পারবে বলে আমাদের বিশ্বাস। এবং সরকার গঠনে এগিয়ে যেতে পারবে।
গত দেড় বছর জামায়াতকে মানুষ কাছ থেকে দেখার সুযোগ পেয়েছে। আগামী পাঁচ বছর যদি তাদের অবস্থান আরো মানুষকে প্রভাবিত করতে পারে তাহলে দারুন করবে আগামী ইলেকশনে এই জোট।
সব মিলিয়ে দাঁড়িপাল্লা জোট খুবই দারুন করেছে। যদিও সিস্টেমের কারণে আসন কম পেয়েছে। শুভ কামনা থাকলো এই দাঁড়িপাল্লার জন্য।
আগামীর ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ আপনারাই গড়বেন এমনটা দেখা যাচ্ছে।