1. banglahost.net@gmail.com : rahad :
  2. dainikrahbar@gmail.com : jahangir :
সোমবার, ০৯ মার্চ ২০২৬, ০৬:৪৫ অপরাহ্ন
আসসালামু আলাইকুম
রাহবার পরিবারে আপনাকে স্বাগতম

নিশ্চয়ই আল্লাহর জমিনে তাঁর দ্বীন প্রতিষ্ঠার জন্য প্রচেষ্টা ও সংগ্রাম করা ঈমানদারদের একটি মহান দায়িত্ব।

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ২৯৭ বার পঠিত

নিশ্চয়ই আল্লাহর জমিনে তাঁর দ্বীন প্রতিষ্ঠার জন্য প্রচেষ্টা ও সংগ্রাম করা ঈমানদারদের একটি মহান দায়িত্ব। কুরআনুল কারীমে এ বিষয়ে বহু স্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে। নিচে ইসলামী আন্দোলন ও আল্লাহর দ্বীন প্রতিষ্ঠার ফরজিয়ত বোঝায়—এমন কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আয়াত তুলে ধরা হলো:

 

  দ্বীন প্রতিষ্ঠার স্পষ্ট নির্দেশ

সূরা আশ-শূরা : ১৩

“তিনি তোমাদের জন্য দ্বীনের সেই বিধানই নির্ধারণ করেছেন, যার নির্দেশ তিনি নূহকে দিয়েছিলেন, আর যা আমি তোমার প্রতি ওহী করেছি এবং যার নির্দেশ ইবরাহীম, মূসা ও ঈসাকে দিয়েছিলাম—এই যে, তোমরা দ্বীন কায়েম করো এবং তাতে বিভেদ সৃষ্টি করো না।”  এই আয়াত স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেয় যে, দ্বীন কায়েম করা আল্লাহর নির্দেশ।

 

 শাসনক্ষমতা পেলে দ্বীন কায়েমের দায়িত্ব

সূরা আল-হাজ্জ : ৪১

“যাদেরকে আমরা পৃথিবীতে ক্ষমতা দিলে তারা সালাত কায়েম করে, যাকাত আদায় করে, সৎকাজের আদেশ দেয় এবং অসৎকাজে নিষেধ করে। আর সব কাজের পরিণাম আল্লাহর কাছেই।”  ইসলামী রাষ্ট্র ও সমাজব্যবস্থার মৌলিক দায়িত্ব এখানে স্পষ্ট।

 

  দ্বীনকে বিজয়ী করার ঘোষণা

সূরা আত-তাওবা : ৩৩

“তিনি তাঁর রাসূলকে হিদায়াত ও সত্য দ্বীনসহ প্রেরণ করেছেন, যাতে তিনি একে সব দ্বীনের ওপর বিজয়ী করেন, যদিও মুশরিকরা অপছন্দ করে।”

 

দ্বীনকে সমগ্র জীবনব্যবস্থায় বিজয়ী করা আল্লাহর ইচ্ছা।

৪. আল্লাহর পথে সংগ্রামের নির্দেশ

সূরা আল-বাকারা : ১৯৩

“তোমরা তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে থাকো, যতক্ষণ না ফিতনা দূর হয় এবং দ্বীন সম্পূর্ণরূপে আল্লাহর জন্য হয়ে যায়।” দ্বীনকে আল্লাহর জন্য প্রতিষ্ঠা করা পর্যন্ত সংগ্রাম অব্যাহত রাখার নির্দেশ।

 

 সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজের নিষেধ

সূরা আলে ইমরান : ১০৪

“তোমাদের মধ্য থেকে একটি দল হওয়া উচিত, যারা কল্যাণের দিকে আহ্বান করবে, সৎকাজের আদেশ দেবে এবং অসৎকাজে নিষেধ করবে। তারাই সফলকাম।”  এটি ইসলামী আন্দোলনের সংগঠিত রূপের শক্ত প্রমাণ।

 

ঈমানের শর্ত হিসেবে আল্লাহর বিধান মানা

সূরা আন-নিসা : ৬৫

“কসম তোমার প্রতিপালকের! তারা ঈমানদার হবে না, যতক্ষণ না তারা তাদের পারস্পরিক বিবাদে তোমাকে বিচারক মানে এবং তোমার ফায়সালায় পূর্ণ সন্তুষ্টি প্রকাশ করে।”

দ্বীন প্রতিষ্ঠা ঈমানের অপরিহার্য অংশ।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Theme Customized BY WooHostBD